যে ৩ কারণে শিবের মতো স্বামী চান মেয়েরা

অনলাইন ডেস্ক: সব মেয়েরই স্বপ্নে থাকে আদর্শ স্বামী। শুধু মেয়েরাই নয়, তাদের অভিভাবকরাও চায়, যেন মনের মতো জামাই পায় মেয়ে। মনের মতো মানেটা ঠিক কী? কী কী গুণ থাকতে হবে সেই হবু জামাইয়ের? মায়েদের কাছে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা বলবেন, সে যেন মেয়েকে ভালবাসে। মেয়ের খেয়াল রাখে। মেয়ের যত্ন নেয়, সম্মান করে। তার অনুভূতিকে যথাযত মূল্য দেয়। আর যে চাহিদার কথা কোনও মা মুখ ফুটে বলবেন না, সেটা হল— শিবের মতো জামাই যেন মেয়ের কথা শুনে চলে।

এত সব চাহিদা কি আর পূর্ণ হয়? তবু মেয়েরা ঈশ্বরের কাছে স্বামী চাইলেই সব সময়ে শিব ঠাকুরের মতোই চান। বাংলার গ্রাম, শহরে অবিবাহিত মেয়েদেরই তাই বেশি বেশি করে শিব ঠাকুরের ভক্ত হতে দেখা যায়। শিবরাত্রির উপবাস, শিবলিঙ্গে জল ঢালা, রাত জাগায় অংশ নিতে দেখা যায়। একটাই প্রার্থনা— ‘হে মহাদেব, যেন তোমার মতোই স্বামী পাই।’

এই শিবের মতো স্বামী ঠিক কেমন?

১) মহাদেব শিব শান্ত স্বভাবের। আবার তিনি রেগে গেলে প্রলয় ঘটাতে পারেন। মেয়েরাও এমনই বর পছন্দ করেন। শান্ত হবে আবার সঠিক জায়গায় প্রতিবাদ করবে।

২) শিব শান্ত হলেও সাহসী। আর তাই সাহসী পুরুষের প্রতীকই হলেন শিব। মনে রাখবেন, ভীতু ছেলেদের একেবারেই পছন্দ করে না মেয়েরা।

৩) স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা কাকে বলে, তা দেখিয়েছেন মহাদেব। পুরাণের বিভিন্ন কাহিনিতেই তার পরিচয় পাওয়া যায়। এটা যে সব মেয়েরই স্বপ্ন— স্বামীর ভালবাসা।

শেষে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার। শ্মশানবাসী শিবের সঙ্গে গাঁজা-সিদ্ধি-নন্দি-ভৃঙ্গীরও যোগ রয়েছে। তা বলে এগুলিও শিবের মতো বরের কাছে মেয়েরা আশা করে এমনটা ভাবা মোটেও ঠিক নয়।

কোন দেশের মেয়েরা সবচেয়ে সুন্দরী?

সৌন্দর্যের নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই৷ তার পরও সৌন্দর্যের কিছু মানদণ্ড ঠিক করে সেরা
সুন্দরীদের পুরস্কৃত করা হয়৷ সেই হিসেবে কোন কোন দেশের মেয়েদের বেশি সুন্দর বলা
যায়?
৬. যুক্তরাজ্য
কোন দেশের মেয়েরা বেশি সুন্দর তা কীভাবে নিরূপণ করা যায়? ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস ডটকম
খুব সহজ অথচ সর্বজনস্বীকৃত একটি পথ বেছে নিয়েছে৷ যেসব দেশের মেয়েরা ‘মিস ওয়ার্ল্ড’
ও ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশিবার জয়ী হয়েছে, তাদেরই এই স্বীকৃতি
দিয়েছে তারা৷ তাতে ছয় নম্বর স্থানটি পেয়েছে যুক্তরাজ্য৷ এ পর্যন্ত পাঁচবার মিস ওয়ার্ল্ড
জিতেছে যুক্তরাজ্যের মেয়েরা৷
৫. সুইডেন
বিশ্বের প্রায় সব বিষয়েই পরিসংখ্যান এবং তুলনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে
ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস ডটকম৷ বেশি সুন্দরীদের দেশ হিসেবে তাদের বিবেচনায় যুক্তরাজ্যের
পরেই রয়েছে সুইডেন৷ সুইডেনের মেয়েরা এ পর্যন্ত ছ’বার সুন্দরীদের বিশ্ব শিরোপা
জিতেছে৷ তিনবার জিতেছে মিস ওয়ার্ল্ড আর বাকি তিনবার মিস ইউনিভার্স৷
৪. পুয়ের্তো রিকো
মাত্র ৯ হাজার ১০৪ বর্গ কিলোমিটারের দেশ পুয়ের্তো রিকোর সুন্দরীদের খ্যাতি বিশ্বের অনেক বড় এবং শক্তিশালী দেশের মেয়েদের চেয়ে বেশি৷ মিস ওয়ার্ল্ড এবং মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা জয়ের মানদণ্ডে পুয়ের্তো রিকো বিশ্বের চতুর্থ সেরা সুন্দরীদের দেশ৷ এ পর্যন্ত পাঁচবার মিস ইউনিভার্স এবং একবার মিস ওয়ার্ল্ড মিলিয়ে মোট ছ’বার সেরা সুন্দরী হয়েছেন পুয়ের্তো রিকোর মেয়েরা৷
৩. ভারত
রিটা ফারিয়া (১৯৬৬) থেকে শুরু করে ঐশ্বরিয়া রাই (১৯৯৪), ডায়না হেডেন (১৯৯৭), যুক্তামুখি (১৯৯৯) এবং প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (২০০০) পর্যন্ত মোট পাঁচজন ভারতীয় সুন্দরী এ পর্যন্ত ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হয়েছেন৷ ‘মিস ইউনিভার্স’ হয়েছেন দু’জন – সুস্মিতা সেন (১৯৯৪) ও লারা দত্ত (২০০০)৷ সেরা সুন্দরীদের প্রতিযোগীতায় সাতবার যে দেশের মেয়েরা সেরা হয়েছেন, সে দেশকে তৃতীয় সেরা অনিন্দ্য সুন্দরীদের দেশ না বলে উপায় আছে কি?
২. যুক্তরাষ্ট্র
পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের মেয়েরাও সৌন্দর্যের শক্তিতে অনেক এগিয়ে৷ আটবার মিস ইউনিভার্স এবং তিনবার মিস ওয়ার্ল্ড হয়েছেন সে দেশের মেয়েরা৷ তাই বেশি সুন্দরীদের দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র৷
১. সবার সেরা ভেনেজুয়েলা
সেরা সুন্দরীদের সভা সবচেয়ে বেশিবার আলোকিত করেছেন ভেনেজুয়েলার মেয়েরা৷ দক্ষিণ অ্যামেরিকার এই দেশের মেয়েরা এ পর্যন্ত সাতবার মিস ইউনিভার্স এবং ছ’বার জিতেছেন মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব৷ মোট ১৩ বার সুন্দরীদের আসরে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা ভেনেজুয়েলাই তাই সবচেয়ে বেশি সুন্দরীদের দেশ৷
সূত্র : ডয়েচে ভেল

মেয়েরা ভালোবাসা মুখে না জানালেও যে ৮টি সংকেত দেয়!

 

প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন। কিন্তু আগ বাড়িয়ে মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেবেন সে সাহস নেই। দেখলেই কেমন যেন ‘ভ্যাবলা’ হয়ে যান। পেন্ডুলামের মতো দোদুল্যমান মনে টানাপোড়েন। মেয়েটিও কি ভালোবাসে? সে-ও কি প্রেমে পড়েছে? নাকি সবটাই একতরফা? নিজেরই শুধু ভালোলাগা? পড়াশোনায় মন বসছে না। খালি উচাটন। ক্লাসে লেকচার শোনায় মন নেই। কী করবেন? করণীয় কী? বলেই ফেলবেন, আই লভ ইউ? তা না হয় বলবেন। কিন্তু, বুঝবেন কী করে, তারও দুর্বলতা আছে? আসলে মেয়েরা ভালোবাসার কথা কখনো মুখে বলে না। তবে ভালোবাসার আগে মেয়েরা তার পছন্দের মানুষটিকে অনন্ত ৮ টি ইঙ্গিতের মাধ্যেমে বুঝানোর চেষ্ট করে যে সেও আপনাকে ভালোবাসে।

 

১. সেজেগুজে কফিশপে ঠিক করেছেন কলেজ-শেষে একসঙ্গে দু’জনে কফি খেতে যাবেন। মেয়েটিও রাজি। দেখলেন বেশ সেজেগুজে এসেছে। একবার নয়, আপনার সঙ্গে কোথাও যাওয়ার কথা হলেই, মেয়েটি খুব সচেতন ভাবেই সাজগোজ করে আসে।

 

২. চুল নিয়ে খেলা নিরিবিলিতে থাকলে দেখবেন, মেয়েটি একটু ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে। আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় চুল নিয়ে খেলে যাচ্ছে আনমনে। চোখের দিকে তাকালে বুঝবেন, তার শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছে, কী চায় আর কী চায় না। নির্ভাবনায় তাকে বলতে পারেন।

 

৩. চোখে চোখে কথা বলো এটা ঘটনা, আপনাকে যদি অপছন্দ হয়, কোনও মেয়েই আপনার সঙ্গে ঘুরতে যেতে রাজি হবে না। যদি, দেখেন মেয়েটি আপনার কথা মন দিয়ে শুনছে, পলক পড়ছে না, একদৃষ্টে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে, বুঝবেন তার মনে আপনার জন্য একটা জায়গা রয়েছে।

 

৪. চলো না কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসি যদি দেখেন, মেয়েটি আপনাকে বারবার বলছে, কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য, বুঝবেন, স্বস্তি বোধ না-করলে কখনোই বলত না। জানবেন, নিরিবিলিতে আপনার সঙ্গ পেতেই এভাবে পীড়াপীড়ি।

 

ছেলেদের গুপ্তাঙ্গের ‘মাপ’ নিয়ে মেয়েরা যা ভাবেন!

 

আদর্শ পেনিস কেমন হওয়া উচিত? সম্প্রতি গবেষকরা খোঁজার চেষ্টা করেছেন নারীর চোখে পুরুষাঙ্গের সঠিক গঠনের সংজ্ঞা।

পুরুষের যৌনাঙ্গের কেমন গড়নকে সঙ্গমের পক্ষে আদর্শ বলা যায়, এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করলেন ‘দ্য জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিন’ পত্রিকা। দেখা গিয়েছে, পেনিসের স্বাভাবিক গঠন মোটেই যৌনসুখ বৃদ্ধির সহায়ক নয়। যদিও যৌন আকর্ষণ বাড়াতে ইদানীং পাশ্চাত্যের বহু দেশেই অস্ত্রোপচারের সাহায্যে পুরুষাঙ্গের গড়ন বদলে ফেলছেন উত্‍সাহীরা। পেনিসের বিশেষ এই পরিবর্তিত রূপকে চিকিত্‍সার ভাষায় বলা হয় ‘হাইপোস্প্যাডিয়াস’।

গবেষকরা জানিয়েছেন, হাইপোস্প্যাডিয়াস হল এমন অবস্থা যেখানে মূত্রনালীর মুখ পেনিসের শেষ প্রান্তে অবস্থান করে না। এই ছিদ্র থাকে পেনিসের উপরিভাগের (স্ফীত অংশ) নীচে। জানা গিয়েছে, অদ্ভুতদর্শন এমন পুরুষাঙ্গের চাহিদায় নিত্য ভিড় বাড়ছে কসমেটিক সার্জনের ক্লিনিকে।

এই বিষয়ে মোট ১০৫ জন নারীকে নিয়ে সমীক্ষা চালায় গবেষক দল। নারীর নজরে পছন্দসই পুরুষাঙ্গ কেমন হওয়া উচিত, ৮টি বৈশিষ্টের ভিত্তিতে সেই তত্ত্ব তালাশ করা হয়েছে। দৈর্ঘ্য, ব্যাস, অবস্থান ও মূত্রনালীর ছিদ্রের আকৃতির ভিত্তিতে ৫টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে পুরুষের যৌনাঙ্গ। এছাড়া পেনিসের শীর্ষভাগের আকৃতি, ত্বকের প্রকৃতি, অণ্ডকোষের গড়ন, গোপনাঙ্গের রোমের মান এবং সব মিলিয়ে পুরুষের যৌনাঙ্গের বাহ্যিক রূপ সম্পর্কেও মহিলাদের মতামত নেওয়া হয়েছে।

 

গবেষণায় জানা গিয়েছে, পেনিসের সামগ্রিক রূপেই বেশির ভাগ মহিলা আকৃষ্ট হন। আশ্চর্যের বিষয়, দেখা গিয়েছে পেনিসের দৈর্ঘ্য নিয়ে পুরুষের চিরকেলে মাথাব্যাথা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বৈশিষ্টের তালিকায় তার স্থান হয়েছে ৬ নম্বরে। পুরুষাঙ্গের ব্যাস ঠাঁই পেয়েছে ৩ নম্বরে, গোপনাঙ্গের রোম ২ নম্বরে জায়গা পেয়েছে। মোদ্দা কথা, কোনও একটি নয়, নানা বৈশিষ্টের যোগফলেই মেলে রুচি মাফিক পেনিস, এমনই মনে করছেন আজকের নারী।

ভারতে মেয়েরা লুঙ্গি পরে কলেজে, কারণ জিনস পরা নিষিদ্ধ

ভারতের কেরালার এক কলেজে মেয়েদের পোশাকবিধি নিয়ে নতুন ফরমান জারি করা হয়। কলেজের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী কেরালার এই কলেজে মেয়েদের জিনস পরে আসার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এরই প্রতিবাদে এই কলেজের মেয়েরা সবাই লুঙ্গি পরে কলেজে আসে। এমনই ছবি হোয়াটসঅ্যাপে পোস্ট করা হয়।

ছবিটি হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়ার পরই ভাইরাল হয়ে যায়। কোন কলেজের এই ঘটনা তা জানা যায়নি। তবে শোনা গিয়েছে, এই লুঙ্গি প্রতিবাদের পর ওই কলেজে জিনস না পরে আসার ব্যাপারে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় তা প্রত্যাহার করা হয়।
সূত্র : জি নিউজ

মেয়েরা চুড়ি ও নাকফুল না পড়লে স্বামীর আয়ু কমে, ইসলামের ব্যাখ্যা

 

আমাদের সমাজে অনেক বিবাহিতা মহিলাকেই শুনতে হয় যে হাতে চুড়ি না পড়লে বা নাকে নাকফুল nose-ring না পড়লে স্বামীর আয়ু কমে যায় বা স্বামীর অমঙ্গল হয়।

 

ঠিক যে বিশ্বাস নিয়ে বিধর্মী মহিলারা শাঁখা-সিঁদুর পরে, আজও অনেক মুসলমান মা বোন সেই একই ধরনের কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়ে চুড়ি-নাকফুল Bangles nose-ring পরেন।

কিন্তু ফিক্বাহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি অধ্যয়নে একথাই প্রমাণিত হয় যে, মেয়েরা কান ও নাক ছিদ্র করে গহনা পরতে পারবে। কেননা কানে গহনা পরার রীতি নবী করীম (সাঃ) জীবিত থাকা অবস্থায়ও ছিল, তথাপি তিনি এটি নিষেধ করেননি।

প্রশ্নে উল্লিখিত ধারণাটি ভ্রান্ত, কুসংস্কার ও আল্লাহ তায়ালার কালাম পাকের বিপরীত। কারণ আল্লাহ তায়ালা সমস্ত মানুষের হায়াত নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। সে সময়ের পূর্বে বা পরে কারো মৃত্যু হবে না। তাই ঐ সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা পরিত্যাগ করা অপরিহার্য।